donator JOBS

রিমোট কাজ

রিমোট চাকরি, আবেদন করা যায় যেকোনো জায়গা থেকে

তালিকাটি প্রস্তুত হচ্ছে। পদগুলো দিনে কয়েকবার নিজে থেকেই হালনাগাদ হয়।

নতুনগুলো আগে

এখনো কোনো পদ তালিকায় ওঠেনি। তালিকাটি নিজে থেকেই ভরে ওঠে।

ই-মেইলে নতুন পদের খবর

বোর্ড দিনে কয়েকবার হালনাগাদ হয়। যাচাই করা নতুন কোনো পদ এলে তবেই আমরা লিখি। কোনো স্প্যাম নেই, অ্যাকাউন্টও লাগে না।

আগেই সাবস্ক্রাইব করেছেন? নিজের পছন্দ বদলান

পদ আমরা কীভাবে যাচাই করি

আন্তর্জাতিক সাইটগুলোর বেশিরভাগ রিমোট পদ আসলে একটি দেশের সঙ্গে বাঁধা। বিজ্ঞাপনে লেখা থাকে «remote», আর শর্তটি লুকিয়ে থাকে তার ভেতরেই: প্রার্থীর হাতে সেই দেশের ওয়ার্ক পারমিট থাকতে হবে। অন্য কোথাও থাকলে প্রথম প্রশ্নেই বাদ।

তাই প্রতিটি বিজ্ঞাপন দুটি যাচাইয়ের ভেতর দিয়ে যায়। প্রথমে প্ল্যাটফর্ম নিজে যে অঞ্চল ঘোষণা করে সেটি, তারপর পদের লেখাটি: সেখানে ওয়ার্ক পারমিট, ভিসা স্পনসরশিপ, নাগরিকত্ব বা নির্দিষ্ট কোনো দেশে বসবাসের কথা থাকলে পদটি তালিকায় ওঠে না।

ইউরোপ এবং গোটা বিশ্ব

প্রতিটি পদের গায়ে দুটি চিহ্নের একটি বসে। «যেকোনো জায়গা থেকে» মানে প্রার্থী কোথায় থাকেন তা নিয়ে নিয়োগকর্তার কোনো শর্তই নেই। «ইউরোপ থেকে» মানে কোম্পানি ইউরোপ মহাদেশে আছেন এমন কাউকে খুঁজছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাঁধা বিজ্ঞাপন তালিকায় ওঠে না, কারণ সেটি ভূগোলের নয়, ওয়ার্ক পারমিটের শর্ত।

আবেদন কীভাবে করবেন

আবেদন করবেন সরাসরি নিয়োগকর্তার কাছে, অথবা যে প্ল্যাটফর্মে পদটি প্রকাশিত হয়েছে সেখানে। Donator কোনো আবেদন নেয় না, কমিশন কাটে না এবং কোনো সিভি রাখে না। প্রতিটি পাতা উৎসের নাম দেয় এবং সরাসরি মূল বিজ্ঞাপনে নিয়ে যায়।

ই-মেইলে নতুন পদের খবর

বোর্ড দিনে কয়েকবার হালনাগাদ হয়। যাচাই করা নতুন কোনো পদ এলে তবেই আমরা লিখি। কোনো স্প্যাম নেই, অ্যাকাউন্টও লাগে না।

আগেই সাবস্ক্রাইব করেছেন? নিজের পছন্দ বদলান

সাধারণ প্রশ্ন

আমি যেখানে থাকি, সেখান থেকে কি বিদেশি কোনো কোম্পানির জন্য কাজ করতে পারি?

সাধারণত পারেন। রিমোট পদের একটি বড় অংশ চুক্তিভিত্তিক সেবার ব্যবস্থা: আপনি কোম্পানির সঙ্গে একটি চুক্তি করেন এবং কাজটি বাসা থেকে করেন। সে ক্ষেত্রে কোম্পানির দেশের ওয়ার্ক পারমিট লাগে না, কারণ আপনি শারীরিকভাবে সেখানে কাজ করছেন না।

আন্তর্জাতিক সাইটগুলোর এত রিমোট পদ আসলে কেন আমার জন্য উন্মুক্ত নয়?

কারণ «remote» অনেক সময় শুধু এটুকুই বোঝায় যে অফিসে যেতে হবে না, প্রার্থী যেখানে খুশি থাকতে পারবেন তা নয়। অনেক বিজ্ঞাপনে শর্তটি লেখার ভেতরে লুকানো থাকে: স্থানীয় ওয়ার্ক পারমিট, ভিসা স্পনসরশিপ না দেওয়া, কিংবা নির্দিষ্ট কোনো দেশে বসবাস। এ ধরনের বিজ্ঞাপন এই তালিকায় ওঠে না।

একটি পদ সত্যিই অন্য দেশের প্রার্থীর জন্য উন্মুক্ত কি না, তা আপনারা কীভাবে যাচাই করেন?

প্রতিটি বিজ্ঞাপন দুটি আলাদা যাচাইয়ের ভেতর দিয়ে যায়। প্রথমে প্ল্যাটফর্ম নিজে যে অঞ্চল ঘোষণা করে সেটি, তারপর বিজ্ঞাপনের লেখা ওয়ার্ক পারমিট, ভিসা স্পনসরশিপ, নাগরিকত্ব ও বসবাসের শর্তের খোঁজে পড়া হয়। দুটির একটিও না মিললে পদটি প্রকাশ করা হয় না।

«যেকোনো জায়গা থেকে» আর «ইউরোপ থেকে» চিহ্ন দুটির পার্থক্য কী?

«যেকোনো জায়গা থেকে» মানে প্রার্থী কোথায় থাকেন তা নিয়ে নিয়োগকর্তার কোনো শর্তই নেই। «ইউরোপ থেকে» মানে কোম্পানি ইউরোপ মহাদেশে কাউকে খুঁজছে, বেশির ভাগ সময় সময়ের পার্থক্যের কারণে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাঁধা বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয় না, কারণ সেটি ভূগোলের নয়, ওয়ার্ক পারমিটের শর্ত।

ইংরেজি কি লাগবে?

বাস্তবে প্রায় সব সময়ই লাগে। বিজ্ঞাপনগুলো ইংরেজিতে লেখা এবং আবেদনও আপনি ইংরেজিতেই করবেন। ঠিক এ কারণেই পদের বিবরণ এখানে মূল ভাষাতেই রাখা হয়েছে: বিজ্ঞাপন পড়তেই যদি কষ্ট হয়, সাক্ষাৎকারেও ততটাই কষ্ট হবে।

পারিশ্রমিক কীভাবে পাব?

চুক্তিতে রিমোট কাজ করা মানুষজন সাধারণত ব্যাংক ট্রান্সফারে, Wise, Payoneer কিংবা নিয়োগকর্তার বেছে নেওয়া প্ল্যাটফর্মে পারিশ্রমিক পান। খুঁটিনাটি সব সময় নিয়োগকর্তার সঙ্গেই ঠিক করা হয়। করের দায়িত্ব নিয়ে নিজের দেশের কর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলুন, কারণ কোন নিয়ম খাটবে তা আপনার অবস্থার উপর নির্ভর করে।

এই বোর্ড কি আবেদন নেয়, নাকি কমিশন কাটে?

না। আপনি সরাসরি নিয়োগকর্তার কাছে আবেদন করেন, অথবা যে প্ল্যাটফর্মে পদটি প্রকাশিত হয়েছে সেখানে। Donator কোনো সিভি রাখে না, কমিশন নেয় না এবং মধ্যস্থতাও করে না। প্রতিটি পাতা উৎসের নাম দেয় এবং সরাসরি মূল বিজ্ঞাপনে নিয়ে যায়।

তালিকা কত ঘন ঘন হালনাগাদ হয়?

পদগুলো দিনে কয়েকবার আবার যাচাই করা হয়। মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়া বা উৎস থেকে হারিয়ে যাওয়া বিজ্ঞাপন নিজে থেকেই সরে যায়, যাতে বন্ধ হয়ে যাওয়া কোনো পদের পেছনে আপনার সময় নষ্ট না হয়।

রিমোট চাকরি, আবেদন করা যায় যেকোনো জায়গা থেকে | Donator